তারিখ : ২২ জানুয়ারী ২০২০, বুধবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

খালেদার জামিন শুনানি ১২ ডিসেম্বর

খালেদার জামিন শুনানি ১২ ডিসেম্বর
[ভালুকা ডট কম : ০৫ ডিসেম্বর]
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জামিন শুনানির জন্য আগামী বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) দিন ধার্য করেছে আদালত। বৃহস্পতিবার (০৫ ডিসেম্বর) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এ আদেশ দিয়েছেন।

আদালতের নির্দেশ মত খালেদার স্বাস্থ্যগত তথ্যের প্রতিবেদন আজ আদালতে দাখিল করতে পারিনি রাষ্ট্রপক্ষ। এ অবস্থায় আরো রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, তার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আরও সময়ের প্রয়োজন। আরও কিছু পরীক্ষা বাকি রয়েছে। এজন্য সময় আবেদন করা হয়েছে। তখন খালেদা জিয়ার আইনজীবী জয়নুল আবেদীন বলেন, একটা রিপোর্ট আমাদের হাতে আনঅফিশিয়ালি রয়েছে। আপনি সেটি দেখেন। মেডিকেল রিপোর্ট আসার আগেও আপনি জামিন দিতে পারেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল ওই রিপোর্টের যথার্থতা নিয়ে প্রশ্ন তুললে তর্কবিতর্কের এক এক পর্যায়ে বিএনপির আইনজীবীরা আদালতে হৈচৈ শুরু করেন। তবে মওদুদ আহমদসহ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী তাদের থামানোর চেষ্টা করেন। খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা বলতে থাকেন,জামিন না নিয়ে আমরা এজলাস ত্যাগ করব না।  এ রকম হৈচৈ অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে ১১টার দিকে বিচারকরা এজলাস ছেড়ে যান। এরপর থেকে ওই কক্ষেই অবস্থান করেন খালেদার পক্ষের আইনজীবীরা। আপিল বেঞ্চ দ্বিতীয় দফা এজলাসে প্রবেশ করলেও জামিন শুনানি না নেয়ায় নানা স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ করেন আইনজীবীরা।

বেলা ১১টা ৩৭ মিনিটে আবার এজলাসে ওঠেন বিচারপতিরা। তাঁরা অন্য মামলার শুনানি করতে চাইলে প্রতিবাদ জানাতে থাকেন বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা। এ সময় প্রধান বিচারপতি বলেন,আপনাদের মামলার তারিখ হয়ে গেছে, আপনারা চলে যান। আইনজীবীরা বলেন, রোববার শুনানি করেন। পরে প্রধান বিচারপতি বলেন,বাড়াবাড়ির সীমা থাকা দরকার। এ ধরনের নজির আর দেখিনি। আমরা কাগজ দেখে বিচার করব। কে কী বলল, তা দেখব না। এরপর শুরু হয় হৈচৈ। এক পর্যায়ে দুপুর সোয়া একটায় এজলাস থেকে বেরিয়ে যান প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। পরে সংবাদ সম্মেলন করে খালেদা জিয়ার আইনজীবী ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন রোববার থেকে দেশের বারগুলোতে অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দেন।

এর আগে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন এ প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী বৃহস্পতিবার ১২ ডিসেম্ব দিন ধার্য করেন। তবে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা আগামী রোববার পরবর্তী দিন ধার্য করার অনুরোধ করেছিলেন।

এর আগে গত ২৮ নভেম্বর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাত বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানি শুরু হয়। ওইদিন তার জন্য মেডিকেল বোর্ড গঠন করে ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন আপিল বিভাগ। গত ১ এপ্রিল থেকে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

বেগম জিয়ার স্বাস্থ্যগত কারণে জামিনের আবেদন নিয়ে আদালতে শুনানি চলমান থাকা অবস্থায় গতকাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় সভায় বলেছেন, খালেদা জিয়া জেলে আছেন। জেলখানা থেকে এখন হাসপাতালে। কারাগারে তাকে একজন পরিচারিকাও দেয়া হয়েছে। তিনি সেখানে বেশ ভালো আছেন। খালেদা জিয়ার হুইল চেয়ার ব্যবহার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন অনেক আগে থেকেই তাকে হুইল চেয়ার ব্যবহার করতে হয়, এটা নতুন কিছু নয়। খালেদা জিয়াকে সন্ত্রাসের 'গডমাদার'  অভিহিত করে শেখ হাসিনা উষ্মা প্রকাশ করে বলেছেন, এতিমের টাকা আত্মসাৎ করে যিনি কারাগারে গেছেন, তার জন্য এত মায়াকান্না কেন?#

 





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

অন্যান্য বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ১২২৮ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই