তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

ভালুকায় অনির্দিষ্ট কালের জন্য মাংস বিক্রি বন্ধ

ভালুকায় অনির্দিষ্ট কালের জন্য মাংস বিক্রি বন্ধ
[ভালুকা ডট কম : ০৮ সেপ্টেম্বর]
ভালুকা উপজেলায় অনির্দিষ্ট কালের জন্য মাংস বিক্রি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। রোববার দুপুরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করে এই নির্দেশনা দেয়া হয়। এর আগে সকালে ভালুকা বাজারে ৭-৮ মাসের গর্ভবতী একটি গাভী জবাই করা হয়।এরই পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাংস বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়।

সূত্রে জানা যায়,রোববার সকালে ভালুকা বাজারের কসাই আমছর আলী একটি গাভী জবাই করেন। চামড়া ছাড়ানোর পর ওই গাভীর পেটে বাচ্চা দেখা যায়।সঙ্গে সঙ্গে বাজারের অন্য ব্যবসায়ীরা এই বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ কে অবগত করেন। পরে ভালুকা মডেল থানা পুলিশ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। কিন্তু এর আগেই কসাই আমছর আলী সেখান থেকে পালিয়ে যান। পরে পুলিশ পৌরসভার পরিচ্ছনতা কর্মীদের সহযোগিতায় মাংস মাটিতে পুঁতে ফেলে। এর পর দুপুরের দিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত ভালুকায় মাংস বিক্রি বন্ধ থাকবে এই বলে মাইকিং করা হয়।

এ বিষয়ে জানার জন্য ভালুকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদ কামালের মঠোফোনে একাধিক বার ফোন দিলেও তিনি ধরেননি।পরে ভালুকা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রোমেন শর্মা জানান,পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ভালুকায় কসাইদের মাংস বিক্রি বন্ধ থাকবে।ষাড়ের মাংসের কথা বলে বকনা,গর্ভবতী গাভী, রোগাক্রান্ত গরু,খাশির মাংসের কথা বলে ছাগল,জীর্ণশীর্ণ রোগাক্রান্ত ছাগল জবাই করে মাংস বিক্রির অভিযোগ রয়েছে কসাইদের বিরুদ্ধে।

জানতে চাইলে এ বিষয়ে ভালুকা উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা চিকিৎসক হেলাল আহম্মেদ বলেন, গর্ভবতী গরু জবাইয়ের বিষয়টি জানার পর তিনি ভালুকা বাজারের কসাইখানাটি পরিদর্শন করেন। পরে সেখানে জবাইয়ের জন্য রাখা কসাই বাবুলের ১৪ টি ছাগল জব্দ করে ভালুকা মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। কসাইদের লাইসেন্সে ও পশু জবাইয়ের ছাড়পত্রের বিষয়ে তিনি বলেন, পৌরসদরের কশাইদের লাইসেন্স দেয় পৌরকর্তৃপক্ষ। আর বাইরের এলাকার  কশাইদের লাইসেন্স দেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয়।

এ বিষয়ে ভালুকা পৌরসভার মেয়র একেএম মেজবাহ উদ্দিন জানান, পৌরসভার নীতিমালায় আছে,পশু জবাইয়ের আগে মাংস বিক্রেতাদের প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ছাড়পত্র নিতে হবে। আজকের ঘটনায় ওই কসাইয়ের লাইসেন্স বাতিল করা হবে এবং পৌরসভার পক্ষ থেকে একজন বাদি হয়ে তাঁর নামে থানায় মামলা দায়ের করবেন।

গত বছরের নভেম্বরের প্রথম দিকে ভালুকা বাজারের মাংস বিক্রেতা সবুজ মিয়া ও কালাম একটি গাভী জবাই করেন। জবাই করে চামড়া চাড়ানোর পর পেটে বাচ্চা দেখা যায়। বিষয়টি জানার পর ভালুকা মডেল থানা পুলিশ ওই মাংস ব্যবসায়ীদের সহযোগী লিটন ও মাহবুব নামে দুই কসাইকে আটক করেন।পরে ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে এক হাজার টাকা জরিমানা করে ওই দুই কসাইকে ছেড়ে দেয়া হয়। ৪ দিন দোকান বন্ধ থাকার ওই ব্যবসায়ীরা আবার গরুর মাংস বিক্রি শুরু করেন।

গত পহেলা বৈশাখে থানার মোড়ে পঁচা মাংস বিক্রির দায়ে কসাই জালাল উদ্দিনকে তিন মাস ও সানোয়ার হোসেন নামের আরেক জনকে এক মাসের সাজা দিয়েছিলেন ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী হাকিম।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

ভালুকা বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৮৯ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই