তারিখ : ১৮ জুলাই ২০১৯, বৃহস্পতিবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

ভালুকায় গ্লোরী স্পিনিং মিলে শিশু শ্রমিককে হত্যার অভিযোগ

ভালুকায় গ্লোরী স্পিনিং মিলে শিশু শ্রমিককে হত্যার অভিযোগ
[ভালুকা ডট কম : ১৫ জুন]
ভালুকা উপজেলার ভরাডোবা এলাকায় অবস্থিত গ্লোরী স্পিনিং মিলের পারভেজ নামে(১৩) এক শিশু শ্রমিকের দুই বন্ধু মিলে মুখ দিয়ে কম্প্রেসার মেশিনের বাতাসের পাইপ ঢুকিয়ে দেয়ায় গুরুতর আহত হয়। শনিবার ভোর ৬টার সময় ময়মনসিংহ  মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারাযান।

সুত্রে জানাযায়,ভালুকা উপজেলার বান্দিয়া গ্রামের জালাল উদ্দিনের ছেলে পারভেজ ওই মিলে মেশিনের তুলার কাজ করতো। শুক্রবার দুপুর পোনে দুইটার সময় পারভেজের কাজ শেষ হয়। গায়ের তুলা পরিচ্ছন্ন করার জন্য একই সেকশানের তার অন্যান্য সহকর্মীরা হুড়াহুড়ি শুরু করে, কার আগে কে  গায়ের তুলা পরিষ্কার করে অফিস থেকে বের হতে পাড়ে। এ সময় পারভেজের সহকর্মী শরীফ ও লিখন মিলে জোরপূর্বক পারভেজের মুখে কম্প্রেসার মেশিনের উচ্চ গতি সম্পন্ন হাওয়ার পাইপ ধরে রাখে। এতে পারভেজের মুখ দিয়ে বাতাস পেটে ঢুকে গুরুতর আহত হয়ে মেঝে পড়ে যায়। মিল কর্তৃপক্ষ পারভেজকে মিলের ভিতের রেখেই চিকিৎসা দেন। রাত ৯টার দিকে পারভেজের অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে না নিয়ে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল(মচিমহা)নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধিন শনিবার ভোর তিনি মারা যান।

মিলের সামনের দোকারদার ও স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ পারভেজকে যদি সাথে সাথেই হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেয়া হতো,তাহলে সে মারা যেতো না।নিহতের বড় বোন জামাই আনোয়ার হোসেন জানান, শুক্রবার দুপুরের ডিউটি শেষ গায়ে তুলা পরিষ্কার করার জন্য পারভেজ চেষ্টা করার সময় তার দুই বন্ধু শরীফ ও লিখন দুজনে মিলে হাওয়ার মেশিনের পাইপ মুখ  দিয়ে ঢুকিয়ে দেয়। এতে পেটে বাতাস ঢুকে ঘটনাস্থলেই মেঝেতে শুয়ে পড়ে। মিলের লোকজন মিলে রেখেই তাঁকে চিকিৎসা দেয়ার চেষ্টা করে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ময়মনসিংহ হাসপাতালের নেয়ার পর ভোরে মারাযান।মিলের জিএম মোখলেছুর রহমানের মোবাইল ফোনে বারবার চেষ্টা করেও তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন জানান,কম্প্রেসার মেশিনের হাওয়া দিয়ে কে কার আগে গায়ের তুলা পরিষ্কার করবে এ নিয়ে তাড়াহুড়া করতে গিয়ে হাওয়ার পাইপ মুখের ভিতরে ঢুকে পেটের নারী ভূরি ছিড়ে গিয়ে মারা যায়।এ ঘটনায় নিহতের বড় বোন রহিমা আক্তার বাদী হয়ে ভালুকা মডেল থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা (নং২৩)করেন।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

ভালুকা বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৮৩ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই